Home » প্রচ্ছদ » গণতন্ত্রকামী মানুষদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: মির্জা ফখরুল

গণতন্ত্রকামী মানুষদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটময় পরিস্থিতিতে গণতন্ত্রকামী মানুষদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তাহলে জনগণের রায়ের মধ্য দিয়ে এই ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হবে। শুক্রবার রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আলমগীর বলেন, এই রাজশাহীবাসী অত্যন্ত লড়াকু মানুষ। বহুকাল ধরে আপনারা লড়াই সংগ্রাম করছেন। মনে আছে, গত গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই রাজশাহীর কত ভাই জীবন দিয়েছে? তাদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে আমাদের শপথ নিতে হবে। জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পতন নিশ্চিত করতে হবে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনারা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি চান? তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চান? গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? এ সময় নেতাকর্মীরা হাত উঁচিয়ে স্লোগানের মাধ্যমে ‘হ্যাঁ’ সূচক জবাব দেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, তাহলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের দাবি আদায় করতে হবে। জনগণের সরকারকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিদেশে নির্বাসিত করেছে এই সরকার। মিথ্যা মামলায় তাকে সাজা দিয়ে নির্বাসিত করে রাখা হয়েছে। হাজার হাজার নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় আটক করে রাখা হয়েছে। আজকের এই মঞ্চে একজনও নেই যার বিরুদ্ধে মামলা নেই। রাজশাহীর বিএনপি নেতা আবু সাঈদ চাঁদ কারাগারে রয়েছে। আমি তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের যত রাজবন্দি রয়েছে, সবাইকে মুক্তি দিতে হবে। তবেই ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সরকারের যে আলোচনা হয়েছে সেটা ফলপ্রসূ হবে।
মির্জা আলমগীর বলেন, কথা খুব পরিষ্কার- নির্বাচনে সবার জন্য সমান মাঠ তৈরি করতে হবে। সব দলকে সমান অধিকার দিতে হবে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। তাকে নির্বাচনের মাঠে কাজ করতে দিতে হবে। অন্যথায় কোনো নির্বাচনের তফসিল গ্রহণযোগ্য হবে না।
অন্যদিকে রাজশাহীর জনসভায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের অংশ নেয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে অংশ নিতে না পারায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তিনি। রাজশাহীর জনসভাকে ঘিরে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ড. কামাল হোসেন বলেন, দেশের ১৬ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে তড়িঘড়ি তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এই তফসিলের মাধ্যমে সরকার দুই সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচনের পাঁয়তারা চালাচ্ছে। যা জনগণের স্বার্থের বিরোধী, সংবিধান বিরোধী ও গণতন্ত্র বিরোধী কাজ।
সমাবেশে এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম বলেন, যে পার্লামেন্ট ব্যবস্থা দেখছেন তা খালেদা জিয়ার দেয়া। বহুদলীয় গণতন্ত্র দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তার ঘোষণা শুনে তরুণ ক্যাপ্টেন হিসেবে জীবন দিতে গিয়েছিলাম। আজ ব্যাংকে টাকা নেই। দেশের মানুষ শান্তিতে নেই। বিদেশে টাকা পাচার হচ্ছে।
জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে গিয়েছিলাম। দেশকে বাঁচাতে গিয়েছিলাম। বলেছিলাম, নির্বাচনে আসতে দিন। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করুন। সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করুন। আমাদের ৭ দফা দাবি মেনে নিন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। তিনি বলেন, দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। এই ৯০ শতাংশ মানুষের কথা না শুনে নির্বাচন হতে পারে না। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আন্দোলন করব। এই আন্দোলনের জন্য মরতে হলে মরব, কিন্তু দাবি ছাড়ব না।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেন, যতদিন বেঁচে থাকবো বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ে ধারণ করে বেঁচে থাকবো। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর জিয়াউর রহমান নিয়ে দ্বন্দ্ব করে যারা লুটে পুটে খাচ্ছে, আল্লাহ যদি আমাকে সময় দেয়, তাহলে সেই দ্বন্দ্ব আমি মিটিয়ে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, বিএনপি নাকি রাজাকারের গাড়িতে পতাকা দিয়েছে। কথাটা সত্য নয়। শেখ হাসিনাই প্রথম রাজাকারের গাড়িতে পতাকা তুলে দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আজকের এই জনসভায় আসতে আমাকে কয়েকবার বাধা দেয়া হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় শেখ হাসিনার ‘মাইট্টা’ পুলিশ বাধা দিয়েছে। অথচ এই পুলিশের সুবিধা বৃদ্ধির জন্য সংসদে আমি কাদের সিদ্দিকী ৬০ বার কথা বলেছি। শেখ হাসিনার কথা না, আমি কাদের সিদ্দিকীর কিছু কথাও শুনতে হবে। এই সমাবেশ থেকে আমি বলছি- যে পুলিশ ঘুষ দিয়ে চাকরি নিয়েছেন, তাদের ঘুষের টাকা ফেরত দেব। আওয়ামী লীগের আমলে যারা পুলিশের চাকরি নিয়েছেন তাদের প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে ফেরত দেব। কারণ মন্ত্রী, তার চ্যালা-চামুন্ডা, আওয়ামী লীগের হাফ নেতা ও পাতি নেতা মিলে ১০ লাখ টাকা করে নিয়েছে। তাদের এই টাকা ফেরত দেয়া হবে।
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ২৩শে ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছেন। তাদের কাছে গিয়ে আমরা বলেছি- আমরা কথা বলতে চাই। আমাদের সমস্যা আছে। এগুলোর সমাধান হবে তার পর নির্বাচনে যাব। কিন্তু তিনি তড়িঘড়ি করে তফসিল ঘোষণা করে দিলেন। মান্না বলেন, আমি রাজশাহী এয়ারপোর্ট থেকে নেমে এই জনসভা পর্যন্ত আসতে ২ বার গাড়ি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আমি একেবারে অপরিচিত নই। আমার গাড়ি কেন আটকাবে? তিনি বলেন, ক্ষমতায় থেকে যদি শেখ হাসিনা মনে করেন, এক মাঘে শীত কেটে যায়। ভুল করছেন। শীত বারবার আসে। মাঘও বারবার আসে। এক শীত খালেদা জিয়া কাটাবেন তো মনে রাখবেন আপনাকে কারাগারে ১০ শীত কাটাতে হবে।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, এই সরকারের ভীত হলো পুলিশ, দুর্নীতি, অনাচার ও ঘুষ, গায়েবি মামলা ও গ্রেপ্তার। এর বাইরে কিছু নেই। আজকের সমাবেশকে কেন্দ্র করে যানবাহন বন্ধ করে দিয়েছে, বাস বন্ধ করে দিয়েছে। তারপরও সব কিছু উপেক্ষা করে এত লোক এসেছেন। চিন্তা করে দেখুন- সরকার বাধা না দিলে আজ কি অবস্থা হতো।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, খালেদা জিয়াকে ছাড়া আগামী নির্বাচন হতে পারে না। গত ৫ই জানুয়ারি খালেদা জিয়া নির্বাচনে যাননি বলে কোনো নির্বাচন হয়নি। এই সরকার জনগণের ভোটের অধিকারকে ভয় পায়। তারা প্রহসন করে আজ ক্ষমতায়। তারা রাষ্ট্রের মূল স্তম্ভগুলোকে নষ্ট করে দিয়েছে। বিচার বিভাগকে ধ্বংস করে দিয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থাকেও ধ্বংস করে দিয়েছে।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, বর্তমান সরকার ৫ই জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে চায়। কিন্তু এবার আমরা তাদের বিনা চ্যালেঞ্জে পার হতে দেব না। আমরা যদি মাঠে নামি জনতার জোয়ারে নৌকা ভেসে যাবে। এদেশের মানুষ এই সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তিনি বলেন, সন্ত্রাস ও সংকট এড়ানোর জন্য আমরা সমঝোতার পথ বেছে নিয়েছিলাম। গত দশ বছরে হারানো গণতন্ত্র, বিচার ব্যবস্থা, আইনের শাসন ফিরে পেতে দুই দফা সংলাপে বসেছি। প্রধানমন্ত্রী একটি কথাও রাখেননি। বলেছিলেন সভা সমাবেশ ঠিকমতো করতে দেবেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সে কথার বরখেলাপ করেছেন। একদিনে আমাদের ২২০০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমাদের নেত্রীর ভালো চিকিৎসার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা না দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে মওদুদ বলেন, এই কমিশন চোখেও দেখে না। কানেও শোনে না। আমরা তাদের তফসিল পেছানোর অনুরোধ করেছিলাম। তারা তা করেনি। এই নির্বাচন কমিশন সরকারের তল্পিবাহক। নির্বাচন কমিশন নাকি আজ প্রশাসনের দায়িত্ব নিয়েছেন। এটা মিথ্যা কথা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, তারেক জিয়ার মুক্তি চাই। এই মুক্তি কার কাছে চান? আমরা কি তাদের মুক্তি দিতে পারি? পারি না। যখন এই শহরে আসি তখন দেখি কোনো লোক নেই জন নেই। যেন কারফিউ চলছে। জনসভায় কোনো লোককে আসতে দেবে না সরকার। তাই গাড়ি নেই। এর আগে বিভিন্ন শহরে যখন সমাবেশ করেছি। তখনও একই রকম কারফিউ জারি করা হয়েছে। এর পরও আমি দেখতে পাচ্ছি আমার সামনে দিয়ে বাঁধ ভাঙা জোয়ারের মতো মানুষ আসছে। এই মানুষ আসবেই। জোয়ার বন্ধ করা যাবে না।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বিভিন্ন চিন্তা ধারার মানুষ কেন এক মঞ্চে। দেশের ঘটনা কি, আজকে গণতন্ত্র নিখোঁজ। আপনারা কি বিশ্বাস করেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে? আজকে আপসহীন নেত্রী কারাগারে। তাকে কারাগারে রেখে আপনারা নির্বাচনে যাবেন? ঐক্যফ্রন্টের সাত দফায় প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। সাত দফা না মানলে আপনারা নির্বাচনে যাবেন? নুরুল হুদার অধীনে নির্বাচন, শেখ হাসিনাকে রেখে নির্বাচন, সেই নির্বাচনে আপনারা ভোট দিতে পারবেন? বর্তমান নির্বাচন কমিশন কে এম নূরুল হুদা এবং শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে গেলে হাসিনা আজীবন প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আমৃত্যু কারাগারে এবং তারেক রহমান আজীবন নির্বাসনে থাকবেন।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, এই সরকারের অধীনে ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে কোনো মানুষ যায়নি। ভোটকেন্দ্রে কুকুর-বিড়াল ঘুরেছে, তা আপনারা দেখেছেন। আর একতরফা নির্বাচন দেশের মানুষ হতে দেবে না।
সভাপতির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঐক্যফ্রন্টের রাজশাহী সমন্বয়ক মিজানুর রহমান মিনু বলেন, জাতীয় সব আন্দোলন রাজশাহী থেকে শুরু হয়েছে। ’৫২-র ভাষা আন্দোলন রাজশাহী কলেজের শহীদ মিনার থেকে শুরু। ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান শুরু হয়েছে শহীদ ড. শামসুজ্জোহার রক্তের ওপর রাজশাহী থেকে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আজকে জাতীয় নেতৃবৃন্দের সামনে অঙ্গীকার করেন- ’৫২-র, ’৬২-র, ’৬৯-এর, ’৭১-এর ও ’৯০-এর স্বৈরাচার বিদায়ের মতো কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে, দেশমাতাকে মুক্ত করতে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

চেয়াপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুর সভাপতিত্বে ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলনের পরিচালনায় আরো বক্তব্য দেন- গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, জেএসডির সিনিয়র সহসভাপতি এমএ গোফরান, জেএসডির আবদুল মালেক রতন, জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোশতাক আহমেদ, রফিকুল ইসলাম প্রতীক, নাগরিক ঐক্যের এসএম আকরাম, শহীদুল্লাহ কায়সার, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের হাবিবুর রহমান তালুকদার বীরপ্রতীক, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, অ্যাডভোকেট কামরুল মনির, অধ্যাপক শাহজাহান আলী মিঞা, আমিনুল হক, আবদুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হারুন অর রশিদ, কেন্দ্রীয় নেতা নাদিম মোস্তফা, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিএনপির রাজশাহী মহানগর সভাপতি ও সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ (একাংশের) শাহ আহমেদ বাদল, সাবেক এমপি সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া ও গণফোরামের রাজশাহী মহানগর সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হোসেন আলী পেয়ারা বক্তব্য দেন।

About Bangla Tidings

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

তফসিল ঘোষণাকে আ’লীগের সমর্থন, বিএনপির ক্ষোভ

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাকে সমর্থন জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি। অন্যদিকে বিএনপি জানিয়েছে ক্ষোভ। ...

২৩ ডিসেম্বর নির্বাচন

আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন রেখে তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ...

রণবীর-দীপিকা’র বিয়েতে মোবাইল সঙ্গে না রাখার অনুরোধ

সাত পাকে বাঁধা পড়তে যাচ্ছেন রণবীর সিং-দীপিকা পাড়ুকোন। আগামী ১৪ ও ১৫ই নভেম্বর ইতালির লেক ...

”সৈয়দ আশরাফের রাজনীতিতে ফেরার সম্ভাবনা খুবই কম”

জনপ্রশাসনমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ফুসফুস ক্যানসারে ভুগছেন বলে জানিয়েছেন তার ...