1. bdsomachar24.news@gmail.com : Mohashin Hossain : Mohashin Hossain
  2. smtrs12@gmail.com : news :

১৫ দিনে দেড় বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রেমিট্যান্স

  • Update Time : রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫
রেমিট্যান্স

চলতি নভেম্বর (মাসের) প্রথম ১৫ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৫২ কোটি মার্কিন (এক দশমিক ৫২ বিলিয়ন) ডলারেরও বেশি রেমিট্যান্স। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা। অর্থাৎ, প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ১৫ লাখ ডলার বা ১২৩৮ কোটি টাকা করে।

এই ধারা অব্যাহত থাকলে নভেম্বরে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো প্রবাসী আয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি ফিরিয়েছে। হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতির কারণেই রেমিট্যান্সে এই ইতিবাচাক ধারায় আছে। চলতি মাসের বাকি সময় একই ধারায় রেমিট্যান্স এলে নভেম্বর শেষে তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের প্রথম ১৫ দিনে ১৫২ কোটি ২৭ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে প্রায় ৩৫ কোটি ডলার, বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকের মাধ্যমে (কৃষি ব্যাংক) এসেছে ১৬ কোটি ৮৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০০ কোটি ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে প্রায় ২৯ লাখ ডলার।

এদিকে, চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরের শুরু থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ১২৫ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে (জুলাই-১০ নভেম্বর ২০২৪) রেমিট্যান্স ছিল ৯৭৫ কোটি ডলার। ফলে অর্থবছরওয়ারি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ৪ শতাংশে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয় ছিল- জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার এবং অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল, যা ছিল ওই অর্থবছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার- যা আগের বছরের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।

এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স আসে ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। ওই অর্থবছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স ছিল- জুলাইয়ে ১৯১ দশমিক ৩৭ কোটি, আগস্টে ২২২ দশমিক ১৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ২৪০ দশমিক ৪১ কোটি, অক্টোবরে ২৩৯ দশমিক ৫০ কোটি, নভেম্বরে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি, মে মাসে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

আরও দেখুন