1. bdsomachar24.news@gmail.com : Mohashin Hossain : Mohashin Hossain
  2. smtrs12@gmail.com : news :

নোবেল শান্তি পুরস্কার আমারই পাওয়া উচিত: ট্রাম্প

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

নোবেল শান্তি পুরস্কার তারই পাওয়া উচিত বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে চলতি বছরের পুরস্কার তিনি পাবেন কি না, তা নিয়ে নিজেরই সন্দেহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, তার মতো মানুষকে পুরস্কার না দেয়ার ‘সুনাম’ রয়েছে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, স্থানীয় সময় বুধবার (৭ অক্টোবর) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। মার্কিন রিপালিকান এই প্রেসিডেন্ট অবশ্য ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে এখনো কোনো শান্তি চুক্তি করাতে পারেননি। আর এর মধ্যেই বুধবার ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।

আগামীকাল শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি এ বছরের পুরস্কার ঘোষণা করবে। ২০২৬ সালের পুরস্কার নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা কী সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে, আমি জানি না। আমার মতো মানুষদের পুরস্কার না দেয়ার একটা ‘সুনাম’ তাদের আছে।’

মূলত গত বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকেই ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার তারই প্রাপ্য।

বুধবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘এখন তো সেই সময় এসে গেছে। গতবার পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিজেও বলেছিলেন, ইতিহাসে আর কেউ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চেয়ে বেশি এই পুরস্কারের যোগ্য নন। তার কাছ থেকে পরোক্ষভাবে পুরস্কারটি পেয়ে আমি খুবই সম্মানিত বোধ করেছি।’

ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো চলতি বছরের জানুয়ারিতে তার ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক ট্রাম্পকে দিয়েছিলেন। ভেনেজুয়েলায় নিজের প্রচেষ্টার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি।

গত বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর বিশ্বজুড়ে আটটি সংঘাত বন্ধ করেছেন দাবি করে ট্রাম্প বলেন, এ কারণেই তার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত।

অবশ্য কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের নেতারা ইতোপূর্বে ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে তাদের এ দাবি যাচাই করার কোনো উপায় নেই।

ট্রাম্প যেসব সংঘাত সমাধান করেছেন বলে দাবি করেন, সেগুলোর কয়েকটির পক্ষই তার কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এরই মধ্যে কয়েকটি অঞ্চলে আবারও সংঘাত শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিআর কঙ্গো এবং কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ডের মধ্যকার সংঘাতও রয়েছে।

এছাড়া ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানও ট্রাম্পের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। অথচ দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে দায়িত্ব নেয়ার প্রথম দিনেই এই যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি।

এদিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ফলে আট মাস ধরে চলা উত্তেজনা ও সংঘাত আরও জটিল হয়েছে। এতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে এবং গ্যাসের দাম বেড়েছে। নভেম্বরের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কার্যত জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

আরও দেখুন