1. bdsomachar24.news@gmail.com : Mohashin Hossain : Mohashin Hossain
  2. smtrs12@gmail.com : news :

মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মার্কিন বিমানবাহী রণতরী, প্রস্তুত ইরান

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং তার সহায়ক যুদ্ধজাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় পৌঁছেছে। এ অবস্থায় ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কা অনেকটাই বেড়েছে।

তবে, মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত জানিয়েছে ইরান।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং বেশ কয়েকটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে প্রবেশ করেছে, যা মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের অধীনে আসে।

ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড এক্স-এ একটি পোস্টে জানায়, লিংকনের স্ট্রাইক গ্রুপ এই অঞ্চলে পৌঁছেছে, জাহাজগুলোকে বর্তমানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে, এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ওয়াশিংটন এই অঞ্চলে ‘পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে’ একটি বিশাল নৌবহর পাঠাচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুন মাসে ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন করেছিল এবং সংক্ষিপ্তভাবে যোগ দিয়েছিল।

এই মাসের গোড়ার দিকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা শুরু হয়েছিল। কারণ, ইরানে বিক্ষোভের বিরুদ্ধে ক্র্যাকডাউনের পর ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়।

ইরান বিক্ষোভকারীদের টার্গেট করতে থাকলে ট্রাম্প বারবার হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছিলেন, যদিও দেশব্যাপী বিক্ষোভ বন্ধ হয়ে গেছে।

এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী ঘোষণা করেছিল, তারা এই অঞ্চলে একটি মহড়া চালাবে যা তাদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দেবে এবং ক্ষমতা প্রদর্শন করবে।

এদিকে সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ‘যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক এবং অনুশোচনাপ্রসূত জবাব’ দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুত।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ইরান ‘নিজস্ব সক্ষমতার ওপর আত্মবিশ্বাসী’।

রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন: ‘এই ধরনের যুদ্ধজাহাজের আগমন ইরানের জাতিকে বিভক্ত করতে পারবে না।’

ইতোমধ্যে, তেহরানের কেন্দ্রীয় এঙ্গেলাব স্কয়ারে একটি নতুন মার্কিনবিরোধী বিলবোর্ড দেখা গেছে যাতে একটি আমেরিকান বিমানবাহী জাহাজ ধ্বংস হওয়ার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ সোমবার ইরানি নৌবাহিনীর কমান্ডার শাহরাম ইরানিকে উদ্ধৃত করে বলেছে: ‘ইরানের নৌশক্তি কেবল প্রতিরক্ষামূলক নয় বরং এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতার নোঙর হিসেবেও কাজ করে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

আরও দেখুন