1. bdsomachar24.news@gmail.com : Mohashin Hossain : Mohashin Hossain
  2. smtrs12@gmail.com : news :

আদালতে ‘অবৈধ’ ঘোষণার পর কেনেডি সেন্টার থেকে সরানো হলো ট্রাম্পের নাম

  • Update Time : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে অবস্থিত বিখ্যাত সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান জন এফ. কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টসের ভবন থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম সরিয়ে ফেলেছেন কর্মীরা।  দেশটির একটি ফেডারেল আদালত এই নামকরণকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা পর শনিবার (১৩ জুন) এই কাজ শুরু হয়।

এক প্রতিবেদনে  এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।

কেনেডি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ম্যাট ফ্লোকা আদালতে দাখিল করা এক নথিতে জানান, ভবন ও এর আশপাশে থাকা ট্রাম্পের নামসংবলিত সব সাইনবোর্ড সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

শনিবার দুপুর পর্যন্ত ভবনের বাইরের অংশে থাকা ট্রাম্পের নাম একটি সাদা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা ছিল। নাম অপসারণের কাজ চলাকালে ভেতর থেকে জোরে শব্দ শোনা যাচ্ছিল। অনেক পথচারী কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজটি পর্যবেক্ষণ করেন।

এর আগে কেন্দ্রের পরিচালনা পর্ষদ শেষ মুহূর্তে আদালতের মাধ্যমে নাম অপসারণ ঠেকানোর চেষ্টা করলেও বিচারক সেই আবেদন খারিজ করে দেন। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এটি একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর ট্রাম্প বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানে নিজের নাম ও পরিচিতি যুক্ত করার যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, এই রায় তার বিপরীতে গেছে।

শুক্রবার রাতে কেনেডি সেন্টারের বাইরে অনেক মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। কর্মীরা যখন সাইনবোর্ড খুলতে মাচা স্থাপন করছিলেন, তখন উপস্থিত অনেকে উল্লাস প্রকাশ করেন। এ ছাড়া হাজারো মানুষ অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার দেখে ঘটনাটি অনুসরণ করেন।

তবে বজ্রঝড় ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে কাজ কিছুটা বিলম্বিত হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে কর্মীদের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল বলে জানান নির্বাহী পরিচালক ম্যাট ফ্লোকা।

গত ২৯ মে দেওয়া এক রায়ে মার্কিন জেলা বিচারক ক্রিস্টোফার কুপার বলেন, কেনেডি সেন্টারের নাম পরিবর্তন করে ট্রাম্পের নামে করার সিদ্ধান্ত আইনসম্মত নয়। তিনি উল্লেখ করেন, কোনো জাতীয় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের রয়েছে।

বিচারক প্রশাসনকে ১৪ দিনের মধ্যে ভবনের মার্বেল নির্মিত সামনের অংশ এবং প্রতিষ্ঠান-সংশ্লিষ্ট সব জায়গা থেকে ট্রাম্পের নাম সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। এরই অংশ হিসেবে কেনেডি সেন্টার কয়েক দিন আগেই তাদের ওয়েবসাইট থেকেও ট্রাম্পের নাম মুছে ফেলেছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

আরও দেখুন