1. bdsomachar24.news@gmail.com : Mohashin Hossain : Mohashin Hossain
  2. smtrs12@gmail.com : news :

আবু সাঈদ স্মরণে পালিত হচ্ছে জুলাই শহীদ দিবস

  • Update Time : বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫

আজ ১৬ জুলাই, গত বছর এই দিনে রংপুরে কোটাবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ। আবু সাঈদের মৃত্যু পুরো দেশের সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে নিয়ে আসে রাজপথে। ‌কোটা আন্দোলন রূপ নেয় স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগ সরকার বিরোধী আন্দোলনে। আর তারই ধারাবাহিকতায় পতন হয় ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের। দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা। দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর বাংলাদেশের মাটি এবং মানুষ মুক্তি পায় স্বৈরাচারী হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের কবল থেকে।

এই মুক্তির আন্দোলনের বীজ বুনেছিলেন আবু সাঈদ। আজকের দিনে নিজের জীবন দিয়ে পুরো দেশের মানুষকে জানিয়ে গিয়েছিলেন এখন আর সময় নেই চুপ থাকার, এখন আর সময় নেই সহ্য করার। সব বাঁধ ভেঙে গেছে, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। এবার সময় প্রতিবাদের, প্রতিরোধের আর প্রতিশোধের। তাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে সরকার দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উপলক্ষে সারাদেশে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হবে। গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে সরকার দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত ২ জুলাই এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, প্রতিবছর ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালিত হবে। উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দিনটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসের তালিকায় ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে আজ সারাদেশে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতেও একই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে, অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে প্রার্থনা করা হবে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ জুলাই বিকালের দিকে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীরা জড়ো হলে পুলিশ তাদের ওপর টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ এবং লাঠিচার্জ শুরু করে। শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক হিসাবে নেতৃত্বে ছিলেন আবু সাঈদ। পুলিশের ধাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লে আবু সাঈদ দুই হাত মেলে বুক পেতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেন। ঠিক সেই মুহূর্তে রাস্তার উলটোদিকে মাত্র ১৫ মিটার দূর থেকে অন্তত দুই পুলিশ সদস্য শটগান থেকে সরাসরি তার ওপর গুলি চালান।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

আরও দেখুন