1. bdsomachar24.news@gmail.com : Mohashin Hossain : Mohashin Hossain
  2. smtrs12@gmail.com : news :

‘৩৬ জুলাই’ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে মঞ্চ মাতাবেন যারা

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫

আজ ৫ আগস্ট বিকাল ৫টায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হবে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে। গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীতে উদ্‌যাপিত হবে ‘৩৬ জুলাই’। রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে দিনভর থাকছে নানা আয়োজন। সেই সঙ্গে থাকবে কনসার্টও। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে শিল্পকলা একাডেমি।

সারাদিনের আয়োজন নিয়ে সূচি প্রকাশ করেছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সূচি অনুসারে, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় টং-এর গান থাকবে। এরপর ১১টা ২০ মিনিটে ইসলামী শিল্পী-গোষ্ঠী সাইমুমের পরিবেশনা রয়েছে। ১১টা ৪০ মিনিটে থাকবে কলরব শিল্পীগোষ্ঠীর পরিবেশনা। দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে বক্তব্য দেবেন নাহিদ ইসলাম। সাড়ে ১২টায় সংগীত পরিবেশনা করবেন তাশফি।

দুপুরে নামাজের রিরতির পর চিটাগাং হিপহপ হুড, সেজান এবং শূন্য ব্যান্ড পারফর্ম করবেন। এরপর ২টা ২৫ মিনিটে ‘ফ্যাসিস্টের পলায়ন ক্ষণ’ উদ্‌যাপন করা হবে।

এরপর আবার কনসার্ট শুরু হবে। সায়ান, ইথুন বাবু ও মৌসুমি, সোলস এবং ওয়ারফেজ পারফর্ম করবে তখন। দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে সায়ান, বিকেল ৩টায় ইথুন বাবু ও মৌসুমির গান, বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে সোলস এবং ৪টায় ওয়ারফেজের পরিবেশনা থাকবে।

বিকেল পৌনে ৫টায় আসরের নামাজের বিরতি রয়েছে। এরপর ঐতিহাসিক ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টা। এরপর বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে বেসিক গিটার লারনিং স্কুলের পরিবেশনা রয়েছে। ৫টা ৫০ মিনিটে এফ মাইনর ও ৬টা ১৫ মিনিটে পারশা মঞ্চ মাতাবে। সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে মাগরিবের আজান ও নামাজের বিরতি দেওয়া হবে।

এরপর সন্ধ্যা ৭টায় এলিটা করিম সংগীত পরিবেশন করবেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্পেশাল ড্রোন ড্রামা ‘ডু ইউ মিস মি’ পরিবেশিত হবে। এরপর ড্রোন শো অনুষ্ঠিত হবে। তারপর সংগীত পরিবেশন করবে জনপ্রিয় ব্যান্ড আর্টসেল। এ ছাড়া আরও থাকবে নানা আয়োজন।

সবাইকে পরিবার-পরিজন নিয়ে ‘৩৬ জুলাই’ উদযাপনে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট), ২০২৪ সালের এই দিনে পৃথিবী দেখেছিলো এক অভাবনীয় গণ-অভ্যুত্থান। যার ফলে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিলো ফ‍্যাসিস্ট শেখ হাসিনা।

বহু শহীদের রক্ত এবং যোদ্ধাদের ত্যাগের পথ ধরে পুরো বাংলাদেশ এক হয়েছিলো। পথে পথে ছিলো উল্লাসমুখর জনতার জোয়ার। বাংলাদেশের বহু রাস্তায় আবেগাপ্লুত মানুষ সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

আরও দেখুন