1. bdsomachar24.news@gmail.com : Mohashin Hossain : Mohashin Hossain
  2. smtrs12@gmail.com : news :

বাংলাদেশের সমর্থনে এবার আইসিসিকে চিঠি পাঠাল পিসিবি

  • Update Time : বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ আটকে গেছে যদি-কিন্তু’র হিসাবে। নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়ভাবে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে আসছে বিসিবি। যদিও আইসিসি চায় ভারতেই যেন খেলতে যায় টাইগাররা, এজন্য তারা বিসিবি রাজি করানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। একইভাবে উঠেছে গ্রুপ পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথাও। সবমিলিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা যখন ধোঁয়াশায়, তখন পাশে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

পিসিবির গভর্নিং বডি বিসিবির দৃঢ় অবস্থানের বিষয়ে সমর্থন দিয়ে আইসিসিকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। যা বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থাটির অন্যান্য সদস্য দেশকেও পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ক্রীড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে বিসিবি শ্রীলঙ্কায় নিজেদের ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। বিষয়টি সমাধানের জন্য আজ (বুধবার) একটি সভা ডেকেছে আইসিসি। অবশ্য পিসিবির পাঠানো মেইলের পরে সেই সভা ডাকা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত নয়।

আইসিসি যখন বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে পিসিবির মেইল কিছুটা বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। তবে সেই চিঠি আইসিসির অবস্থানে প্রভাব রাখবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ক্রিকইনফো জানিয়েছে, বাংলাদেশ ইস্যুতে ভেন্যু কিংবা সূচি পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। গত সপ্তাহে বিসিবির সঙ্গে আইসিসির সর্বশেষ সভায়ও দৃঢ় অবস্থান জানিয়েছে উভয়পক্ষ। বাংলাদেশের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটাতে একাধিকবার বসলেও আইসিসি ও বিসিবি কেউই তাদের আগের অবস্থান থেকে নড়েনি।

তাই আবারও নিজেদের সিদ্ধান্ত বিবেচনায় ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত আইসিসি সময় বেধে দিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে ক্রিকইনফো। যদিও বিসিবি আগেই তা অস্বীকার করে জানিয়েছিল– বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থাটির কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো ডেডলাইন তারা পায়নি। এদিকে, বিশ্বকাপ শুরুরও আর বেশি সময় নেই। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে এই মেগা ইভেন্ট শুরু হবে। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী– লিগপর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতা এবং আরেকটি মুম্বাইয়ে রাখা হয়েছে।

dhakapost

গত বছর থেকে পাকিস্তানও ভারতের মাটিতে খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল। ফলে ভারত-পাকিস্তানে ম্যাচ হলেই নিরপেক্ষ একটি ভেন্যুও রাখা হয় হাইব্রিড মডেল অনুসারে। একইভাবে বাংলাদেশেরও ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে শেষ মুহূর্তে পাকিস্তানের সমর্থন কিছুটা নাটকীয়তার জন্ম দিয়েছে। এর আগে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল– বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো পাকিস্তানে সরিয়ে নেওয়া কিংবা টাইগাররা না খেললে পাকিস্তানও নিজেদের সরিয়ে নিতে পারে। যদিও সেসব আলোচনা গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। পিসিবিও প্রকাশ্যে এসব বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

আরও দেখুন