1. bdsomachar24.news@gmail.com : Mohashin Hossain : Mohashin Hossain
  2. smtrs12@gmail.com : news :

সারা দেশেই ফুয়েল পাসের চিন্তা সরকারের

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে রাজধানী ঢাকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েল পাস’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ) চালু হয়েছে। তবে শুরুতে শুধু মোটরসাইকেলের জন্য এই সেবা চালু হয়েছে। পরবর্তী সময় অন্য যানবাহনগুলোকেও ফুয়েল পাসের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। শুরুতে ৭টি ফিলিং স্টেশনে এই অ্যাপ ব্যবহার করে তেল দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে আরো ১০-১৫টি  স্টেশনে এর পরিধি বাড়ানো হবে।

ঢাকার পর চট্টগ্রামে এর ব্যবহার শুরুর কথা। বর্তমানে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের আইটি বিশেষজ্ঞরা স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বসে এই অ্যাপটি কিভাবে ব্যবহার করা হবে তা নিয়ে বসছেন। এ বিষয়ে এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রশিক্ষণ চলছে। জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন আগামী মে মাস নাগাদ পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় এর ব্যবহার শুরুর পরিকল্পনা আছে।

আপাতত রাজধানী ঢাকার সাতটি পাম্পে পাইলটিং ভিত্তিতে ফুয়েলপাসের অ্যাপ ব্যবহার শুরু করা হয়েছে। যদিও সরেজমিন ট্রাস্ট ও সোনার বাংলা ছাড়া অন্য কোথাও এর ব্যবহার শুরু করতে দেখা যায়নি। কয়েকটি পাম্প থেকে জানানো হয় মন্ত্রণালয় থেকে লোক গিয়ে তাদের ফুয়েল পাস নিয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা দ্রুত এর ব্যবহার শুরু করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

এই সাতটি পাম্পের পর পর্যায়ক্রমে আরো ১০ থেকে ১৫টি পাম্পে এর পরিধি বাড়ানো হবে। মূলত এই অ্যাপের ডাটাগুলো বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকে যাচাই হয়ে আসছে। বিআরটিএ ও জ্বালানি বিভাগ উভয় পক্ষকেই নিজেদের ওপর তথ্য ও কারিগরি ক্ষেত্রে নির্ভর করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে চাইলেই একসঙ্গে সব তথ্য খুলে দেওয়া যাচ্ছে না। আবার বিআরটিএর এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস)-এর সীমাবদ্ধতা আছে।
প্রাথমিকভাবে ঢাকা মেট্রোতে যাদের মোটরসাইকেল রেজিস্টার করা আছে তারা এই সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারছেন। প্রথমদিকে রেজিস্ট্রেশনে কিছু ঝামেলা থাকলে ১৪ এপ্রিল থেকে কিছুটা সহজ হয়েছে।জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রোগ্রামার (আইসিটি শাখা) মো. মাফরুল আলম গতকাল বলেন, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ফুয়েলপাসের কার্যক্রম শুরু হয়নি। আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে ফুয়েল পাসের অ্যাপ কার্যক্রম চলছে। পরে সফল হলে মন্ত্রণালয় থেকে ফুয়েলপাসের অ্যাপের জন্য ফিলিং স্টেশনে আলাদা লাইন করা বা একটি স্টেশনে পুরো যানবাহনগুলোকে ফুয়েলপাস অ্যাপ দিয়ে তেল নেওয়া নির্দেশনা আসবে। আপাতত এই অ্যাপ নিয়ে পাম্প ও সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অনেক পাম্পেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে স্মার্ট ফোন ও ইন্টারনেটের সংযোগ নেই। এ বিষয় তাদের প্রস্তুত করা হচ্ছে। মে মাসে পুরোদমে এটি চালু করা যায় কিনা সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। ফুয়েল পাস চালু হচ্ছে তখন কেউ চাইলেই দিনে দুই-তিনবার তেল নিতে পারবেন না। এক্ষেত্রে তেল নিয়ে দুর্ভোগ অনেকটা কমে আসবে। বিআরটিএ থেকে রেজিস্ট্রেশন না থাকলে কেউ এই সিস্টেমেই আসতে পারবেন না। আবার তেল নেওয়ার রেশনিং সেট করে দিলে কেউ লিমিটের বাইরে তেল নিতে পারবেন না।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

আরও দেখুন