1. bdsomachar24.news@gmail.com : Mohashin Hossain : Mohashin Hossain
  2. smtrs12@gmail.com : news :

২০২৫ সালে নিট এফডিআই প্রবাহ বেড়েছে ৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

বাংলাদেশে ২০২৫ সালে নিট বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রবাহ ৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ এফডিআই জরিপ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশের নিট এফডিআই প্রবাহ ছিল ১ দশমিক ২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ প্রবৃদ্ধির পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে পুনঃবিনিয়োগকৃত আয় এবং আন্তঃকোম্পানি ঋণ। ২০২৪ সালে পুনঃবিনিয়োগকৃত আয়ের পরিমাণ ছিল ১০৩ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০২৫ সালে ৩১৮ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়ে ৪৩৪ দশমিক ১০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

একই সময়ে আন্তঃকোম্পানি ঋণ ৬২১ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ডলার থেকে ২৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে ৭৮১ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ইক্যুইটি মূলধনও ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেড়ে উন্নীত হয়েছে ৫৫৪ দশমিক ৬৪ মিলিয়ন ডলারে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালে বৈশ্বিকভাবে গ্রিনফিল্ড প্রকল্প ঘোষণার সংখ্যা ১৬ শতাংশ কমলেও বাংলাদেশে এফডিআই প্রবাহের এই বৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে।

২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিলে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এফডিআই পরিস্থিতিকে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, বৈশ্বিক ধাক্কা এবং অভ্যন্তরীণ অনিশ্চয়তার মধ্যেও ২০২৫ সালে বাংলাদেশে এফডিআই বেড়ে ১ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বিশ্বব্যাপী ২০২৫ সালে নতুন বিনিয়োগ প্রকল্পের ঘোষণা কমেছে এবং উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলো এ চাপ বেশি অনুভব করেছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের নিট এফডিআই প্রবাহে ৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ বৃদ্ধি একটি ইতিবাচক সংকেত।

তিনি বলেন, বিনিয়োগের পরিমাণ এখনো দেশের সম্ভাবনার তুলনায় কম। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরবর্তী সময়ে এই প্রবৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত থাকলেও বাংলাদেশ নিজেদের প্রস্তুতি জোরদার করছে, যেন ভবিষ্যতে বড় বিনিয়োগ আকর্ষণে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে যেতে পারে।

বিডা জানিয়েছে, ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ-এর সঙ্গে যৌথভাবে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ সহায়তা ও বিনিয়োগ পরিবেশ সংস্কারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

আরও দেখুন