1. bdsomachar24.news@gmail.com : Mohashin Hossain : Mohashin Hossain
  2. smtrs12@gmail.com : news :

বিনিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসা সহজ করতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন

  • Update Time : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

বিনিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসা সহজ করতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করেছে সরকার। এটি ব্যবসা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় নিয়ম, অনুমোদন ও প্রশাসনিক জটিলতা চিহ্নিত করে তা সহজ করার উদ্যোগ নেবে।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর সভাপতিত্বে ২২ সদস্যের এ টাস্কফোর্স গঠন করে রোববার (৯ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

টাস্কফোর্সে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন; শিল্প ও বাণিজ্য; আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পাশাপাশি অর্থ ও পরিকল্পনা; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারা সদস্য হিসেবে রয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান, বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা সদস্য হিসেবে থাকবেন।

ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদেরও টাস্কফোর্সে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে এফবিসিসিআই, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সভাপতি রয়েছেন। অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (সামষ্টিক ও টিডিএম) সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, টাস্কফোর্স বিভিন্ন খাতের বিনিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসা সহজীকরণ-সংক্রান্ত সংস্কার রোডম্যাপ অনুমোদন এবং এর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে। লাইসেন্স, অনুমোদন, ছাড়পত্র, কর, শুল্ক, ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, নির্মাণ, পরিবেশ ও স্থানীয় সেবায় অপ্রয়োজনীয় ধাপ চিহ্নিত করে তা সহজীকরণের নির্দেশনা দেবে এ টাস্কফোর্স।

এছাড়া সিঙ্গেল উইন্ডো, সার্ভিস লেভেল এগ্রিমেন্ট (এসএলএ), ডিমড/অটোমেটিক অ্যাপ্রুভাল এবং অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বাস্তবায়নে নীতিগত দিক-নির্দেশনা দেবে টাস্কফোর্স। সেই সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় ও আন্তঃসংস্থাগত জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইন, বিধি, নীতিমালা, সার্কুলার ও প্রশাসনিক আদেশ সংশোধনের প্রয়োজনীয়তাও চিহ্নিত করবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটির মাধ্যমে একটি ডেডিকেটেড ওয়েবসাইট তৈরি করা হবে। ওই ওয়েবসাইটের অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে বিনিয়োগকারী ও সেবা গ্রহীতাদের অভিযোগ, অনিয়ম ও বিলম্ব তদারকি করা হবে। প্রয়োজন হলে এসব বিষয় টাস্কফোর্সের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

টাস্কফোর্স প্রতি তিন মাসে একবার অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে। প্রয়োজনে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা যাবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা হবে। অর্থ বিভাগ টাস্কফোর্সকে সাচিবিক সহায়তা দেবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

আরও দেখুন